1. rafiqulislamnews7@gmail.com : Rafiqul Islam : Rafiqul Islam
  2. jmitsolution24@gmail.com : jmmasud :
সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদারীপুরের অজ্ঞানপার্টি ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ মাদারীপুরে শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষিকা রেবা ও শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক রোকসানা নির্বাচিত মাদারীপুরে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষিকা নির্বাচিত শিবচরের সেলিনা মাদারীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হলেন শিবচরের ইদ্রিশ আলী শিবচরে আত্মপ্রকাশ হলো “শিবচর পোস্ট গ্র্যাজুয়েট প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া অ্যালায়েন্স” শিবচরে বসতঘরে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ, পুড়ে ছাই ঘরবাড়ি ও মালামাল শিবচরে শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে বাস ভাড়ার ব্যবস্থা করে দিলেন ছাত্রদল নেতা মাদারীপুরে এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র আটকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে শিশুদের জন্য ছন্দে শেখার নতুন দিগন্ত: ‘হাবু মিয়ার স্বদেশ ভ্রমণ’ নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন অধ্যাপক মামুন

মাদারীপুরে মিনিকেট নাম ব্যবহার করে মোটা চাল মজুদ, মিল মালিককে ১৫ দিনের কারাদন্ড

  • প্রকাশিত : বুধবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২২, ৭.২৯ এএম
  • ৭০০ জন সংবাদটি পড়েছেন।

মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ

মাদারীপুরে মিনিকেট নাম ব্যবহার করে মোটা চাল মজুদ রাখায় ‘বিসমিল্লাহ এগ্রো ফুড লিমিডেট’ নামে একটি মিল কারখানার মালিককে ১৫ দিনের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।

মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাইনুদ্দিন এ আদেশ দেন। এসময় মিল মালিককে আরো এক লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাইনুদ্দিন বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে ‘মিনিকেট চাল’ নেই বলে প্রতিটি মিল মালিক ও চাল ব্যবসায়ীদের জানানো হয়েছে। কিন্তু এরপরেও কিছু মিল মালিক বিভিন্ন কোম্পানীর নামে ‘মিনিকেট চাল’ বলে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এমন অভিযোগে সদর উপজেলার কলাগাছিয়া গ্রামে প্রতিষ্ঠিত ‘বিসমিল্লাহ এগ্রো ফুড লিমিডেট’ এ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের সহকারী পরিচালক জান্নাতুল ফৌরদৌসের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়।

এসময় বিভিন্ন কোম্পানির নামে ৬৩৩ বস্তা চাল ও ৫৭৮টি খালি বস্তায় ‘মিনিকেট’ নাম ব্যবহার করা পাওয়া যায়। পরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে মিল কারখানার মালিক মো. শাহাদাত হোসেনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও এক লাখ টাকা আর্থিক জরিমানা করা হয়। এসময় চাল জব্দ করা চাল বাজেয়াপ্ত করে কেন্দুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ মো. রায়হান কবীরকে প্রধান করে নিলামে বিক্রির নির্দেশ দেয়। এছাড়া উদ্ধার হওয়া বস্তা পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

এব্যাপারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের সহাকরী পরিচালক জান্নাতুল ফৌরদৌস বলেন, ‘মিনিকেট বলতে কোন চাল নেই। মোটা চাল মেশিন দিয়ে কেটে আর পালিশ করে বাজারে বিক্রি করা হয়। ফলে ভোক্তারা অতিরিক্ত মূল্য দিয়ে চাল ক্রয় করে থাকেন। এমন অভিযোগে মোবাইল কোর্ট করে জেল-জরিমানা করা হয়। ৬৩৩ বস্তা চালের বাজার ধরে ১২৫০ টাকা ধরা হয়। যা নিলামে বিক্রি করে রাষ্টীয় কোষাগারে জমা দেয়া হবে।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022
Don`t copy text!